একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য।

(ক) সংগঠন হবে সম্পূর্ণভাবে একটি অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন।

(খ) সামষ্টিকভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের মান-সম্মান, মর্যাদা সমুন্নত রাখাসহ সদস্যদের কল্যাণে কাজ করা।

(গ) বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই সংগঠনের কোন সংশ্লিষ্টতা থাকবে না।

(ঘ) বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে এই সংগঠন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট হবে না বা কোন কর্মসূচিকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সমর্থন করবে না।

(ঙ) মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি অর্জন এবং বিদ্যমান তালিকা হতে ভুয়া তথা অমুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত ও বিতাড়ন করে সঠিক তারিকা প্রণয়নের ব্যবস্থা করা।

(চ) একাত্তরের চেতনার ভিত্তিতে সদস্যদের মধ্যে সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি গড়ে তোলা ও তা দৃঢ় করা।

(ছ) জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা।

(জ) মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তান/উত্তরসূরিদের সাধারণ কল্যাণ এবং দেশগঠন, সমাজ ও জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ।

(ঝ) একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সঠিক ইতিহাসের যে কোনো ধরনের বিকৃতি প্রতিরোধ ও প্রতিহত করা।

(ঞ) প্রকৃত ও ভুয়া/অমুক্তিযোদ্ধাদের সনাক্তকরণ, শহীদ, যুদ্ধাহত, বীরাঙ্গনাদের খুঁজে বের করে জাতীয় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করাসহ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস প্রণয়নে সরকারকে সহযোগিতা করা।

(ট) মুক্তিযোদ্ধাদের বর্তমান ও পরবর্তী প্রজন্মের সদস্যদের কল্যাণ সাধনে প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত পদক্ষেপ ও কর্মসূচিসমূহ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা।

(ঠ) সংগঠনের সদস্যদের মেধাবী/গরিব/দুঃস্থ সন্তান/পোষ্য শিক্ষার্থীর জন্য ছাত্র বৃত্তি, আর্থিক অনুদান ইত্যাদি প্রদান।

(ড) দুঃস্থ, অসহায় ও আশ্রয়হীন মুক্তিযোদ্ধাদের সরকারি সহায়তায় পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত বা বিপদগ্রস্ত সদস্যকে সাহায্য-সহযোগিতা করা।

(ঢ) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।